হ্যালো টেকটিউনসবাসি, কেমন আছেন সবাই? আশাকরি সবাই ভালো আছেন এবং আজকের টিউনের জন্য প্রস্তুত!
আজ আমরা এমন একটা বিষয় নিয়ে কথা বলব, যা শুধু এখনকার জন্য নয়, ভবিষ্যতের বিশ্ব অর্থনীতি এবং পরিবেশের ওপরও বিশাল প্রভাব ফেলবে। সেটা হলো – চীন কিভাবে Battery (ব্যাটারি) আর EV (Electric Vehicle বা বৈদ্যুতিক গাড়ি) তৈরিতে Global Superpower হয়ে উঠেছে! 🔋⚡️
আমরা সবাই জানি, Global Warming (বৈশ্বিক উষ্ণায়ন) আর পরিবেশ দূষণ কমাতে Electric Vehicles-এর গুরুত্ব দিন দিন বাড়ছে। কারণ এগুলো জীবাশ্ম জ্বালানির (Fossil Fuel) ওপর আমাদের নির্ভরতা কমিয়ে আনতে সাহায্য করে। আর এই গুরুত্বপূর্ণ সেক্টরে চীন যে অভাবনীয় উন্নতি করেছে, তা সত্যিই বিস্ময়কর এবং একইসাথে আলোচনার দাবি রাখে।
কিন্তু প্রশ্ন হলো, চীন কিভাবে এই অবস্থানে পৌঁছালো? এই সাফল্যের পেছনে ঠিক কী কী কারণ রয়েছে? আর এর ফলস্বরূপ Western Countries-গুলোর Economy-র ওপর কেমন প্রভাব পড়তে পারে? চলুন, আজ আমরা সেই সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজি এবং বিস্তারিতভাবে জানার চেষ্টা করি!
আজ আমরা মূলত চীনের EE Industry-র উত্থান এবং এর পেছনের কারণগুলো বিস্তারিতভাবে আলোচনা করবো। সেই সাথে Western Countries-গুলোর জন্য কী Challenges অপেক্ষা করছে এবং তারা কিভাবে এই পরিস্থিতিতে নিজেদের Industry-কে টিকিয়ে রাখতে পারে, সেই নিয়েও কিছু কথা বলবো।
বিষয়টা ভালোভাবে বোঝার জন্য Bloomberg-এর একটা পূর্বাভাস দেখা যাক। Bloomberg-এর Market Analysts-রা বলছেন, এই বছর Lithium ion Batteries-এর Global Demand হবে প্রায় 1.6 Tatt Hours। এখন মজার বিষয়টা হলো, চীনের Firms-গুলো একাই এই বছরের মধ্যে প্রায় 6 Tatt Hours Production Capacity তৈরি করার ঘোষণা দিয়েছে! তার মানে, Global Demand যা ধারণা করা হচ্ছে, তার থেকে প্রায় সাড়ে তিন গুণ বেশি Production Capacity চীনের হাতে! 🤯 এই Data-টা দেখেই বোঝা যায় চীন কতোটা আগ্রাসীভাবে এই Market-এ নিজেদের বিস্তার ঘটাচ্ছে।
বিষয়টা আরও একটু সহজভাবে বুঝিয়ে বলি। ধরুন, Global Market-এ 100টা Battery-র চাহিদা আছে। Bloomberg-এর Estimate অনুযায়ী সেই চাহিদা 1.6 Tatt Hours। কিন্তু চীনের Company-গুলো একাই 6 Tatt Hours Production করতে প্রস্তুত। তার মানে চীনের Supply করার Capacity Market Demand-এর থেকে অনেক বেশি। এই পরিস্থিতিতে Prices কমে যাওয়াটা খুবই স্বাভাবিক।
অবশ্য Europe আর North America-র মতো Regions-গুলোও পিছিয়ে নেই। তারাও নিজেদের Production Capacity বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন Build Outs-এর পরিকল্পনা করছে। কিন্তু চীনের তুলনায় সেটা কম হলেও Global Demand-এর একটা বড় অংশ তারা পূরণ করতে পারবে। European Union (EU) এবং US Government এই Industry-কে Support করার জন্য বিভিন্ন ধরনের Incentives এবং Subsidies ঘোষণা করেছে।
এখানে একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনে রাখতে হবে, Plant Capacity আর Actual Production কিন্তু সবসময় এক থাকে না। অনেক Plant Build Outs বিভিন্ন কারণে Failure হতে পারে। Machine-এর সমস্যা, Workforce-এর অভাব অথবা Raw Materials-এর Supply Chain-এ জটিলতা – এরকম নানা কারণে Production ব্যাহত হতে পারে। Plants-গুলো সবসময় 100% Output-এ কাজ নাও করতে পারে। আর একটা বিষয় হলো, Companie-গুলো প্রায়শই State Subsidies পাওয়ার আশায় কাগজে-কলমে বেশি Production দেখানোর প্রতিশ্রুতি দেয়, কিন্তু বাস্তবে হয়তো ততটা উৎপাদন নাও করতে পারে। Governments-গুলোর উচিত এই বিষয়গুলো ভালোভাবে Monitor করা, যাতে Subsidies-এর অপব্যবহার না হয়।
চীনের Battery Factories-গুলোর কথাই ধরুন। Data বলছে, 2022 সালে তারা 51% Capacity-তে চলছিল, আর 2023 সালে সেটা কমে 43% হয়েছে। এর পেছনে অনেক কারণ থাকতে পারে। তবে একটা বিষয় পরিষ্কার, চীনের Companies-গুলোর Mass Production-এর যে Target, সেটা সবসময় Achieve করা সম্ভব হয় না। তবে চীনের Strategy হলো Mass Production-এর মাধ্যমে খরচ কমিয়ে Market Dominate করা। তারা Quantity-র ওপর Focus করে Prices কমিয়ে Competition-এ এগিয়ে থাকতে চায়।
এত Production Capacity থাকলে Supply বাড়বে, আর Supply বাড়লে Prices তো কমবেই। Market-এর সাধারণ নিয়ম এটাই। Bloomberg-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, Sell Prices নাকি সম্প্রতি প্রতি Kilowatt Hour $53-এ এসে ঠেকেছে! Industry Experts-রা বলছেন, এমন Price নাকি 2030 বা 2035 সালের আগে কোনোভাবেই সম্ভব ছিল না। তার মানে আমরা প্রত্যাশিত Price Curve থেকে প্রায় 5-10 বছর এগিয়ে গেছি। এটা সত্যিই একটা অসাধারণ ঘটনা! Technology-র উন্নতি এবং Production Process Optimize করার ফলেই এটা সম্ভব হয়েছে।
Batterie একটা Electric Car-এর ২০-৪০% Value তৈরি করে। তাই Battery-র দাম কমলে Electric Vehicle-এর দামও কমতে বাধ্য। আর Electric Vehicle-এর দাম কমলে সাধারণ মানুষের জন্য Car কেনা আরও সহজ হয়ে যায়। Electric Vehicles এখন আর Luxury Item নয়, বরং একটা Necessity হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
পশ্চিমে এখনো Combustion Engine-এর Car-এর থেকে Electric Car-এর দাম তুলনামূলকভাবে বেশি। এর কারণ হলো Western Countries-গুলোতে Manufacturing Cost বেশি, Labour Cost বেশি এবং Technology-র Innovation-এর Speed তুলনামূলকভাবে কম। কিন্তু চীনে 2022 সাল থেকেই ছবিটা পাল্টে গেছে। সেখানে Government-এর Subsidies ছাড়াই Electric Car-এর দাম কমতে শুরু করেছে। এখন ওখানে 10-20 হাজার Dollars-এর মধ্যে বেশ ভালো Model পাওয়া যায়। আর Xiaomi Su7-এর মতো একটা দারুণ Upper Mid-Range Model-এর দামও 30 হাজার Dollars-এর নিচে। তার মানে একটা ভালো স্মার্টফোন কেনার Budget থাকলেই চীনে একটা Electric Car কেনা সম্ভব! 🤩 এটা Consumer-দের জন্য দারুণ একটা News।
এজন্যই চীনা Citie-গুলোতে Electric Car-এর চাহিদা এত বেশি। সেখানকার মানুষ এখন পরিবেশবান্ধব Transportation-এর দিকে ঝুঁকছে। আগে Shenzhen একটা Street-এর পাশে দাঁড়ালে Engine-এর আওয়াজে কথা বলাই যেত না। এখন সেই City একদম শান্ত! মনে হয় যেন কোনো ফিউচারিস্টিক শহর। 😌 শুধু পরিবেশ দূষণ কমেছে তাই নয়, City-র Soundscape-ও পরিবর্তন হয়ে গেছে।
শুধু চীন নয়, এই Trend খুব তাড়াতাড়ি সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়বে। Volkswagen জার্মানিতে Electric ID3 মাসিক €249-এ Leasing-এর Offer দিচ্ছে। যেখানে Combustion Engine-এর Golf-এর জন্য প্রায় €400 দিতে হয়। তার মানে Electric Car এখন শুধু কেনাই সস্তা নয়, ভাড়াতেও সাশ্রয়ী! এটা Consumer-দের জন্য একটা Win-Win Situation।
এই Price Drop-এর পেছনে একটা কারণ হলো Volkswagen-কে Government-এর EV Quilas-এর শর্ত পূরণ করতে হচ্ছে। European Union (EU) Green Energy Transition-কে Support করার জন্য বিভিন্ন ধরনের Regulations জারি করেছে। Car Manufacturers-দের সেই Regulations মেনে চলতে হচ্ছে। কিন্তু Trend-টা পরিষ্কার। ভবিষ্যতে Electric Vehicles-এর দাম আরও কমবে, আর Fuel Cost-এর ঝামেলা থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে।
আমার মনে হয়, খুব শীঘ্রই চীনা Car Companies-গুলো তাদের Electric Cars Western Countries-গুলোতে বিক্রি করতে পারবে এবং Combustion Engine Cars-এর চেয়েও কম দামে দিতে পারবে। প্রশ্ন হলো, আমরা কি তাদের সেই সুযোগ দেবো? নাকি নিজেদের Industry-কে বাঁচানোর জন্য Protectionist Measures নেবো? 🤔 এটা একটা জটিল Economic আর Political Issue। Protectionist Measures নিলে হয়তো Local Industry-গুলো কিছুদিনের জন্য টিকে থাকতে পারবে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত Consumer-দের ক্ষতি হবে। কারণ তারা কম দামে ভালো Product পাওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হবে।
তাহলে কিভাবে চীন Battery আর Ev-এর Global Superpower হয়ে উঠলো? এর পেছনে কী Secret Ingredients আছে? চলুন, সেগুলো একটু Analyze করা যাক। এই সাফল্যের পেছনে অনেকগুলো কারণ রয়েছে।
Shenzhen City-টা যেন চীনের Electric Vehicle Revolution-এর একটা Showcase। BYD-এর মতো Industry Leader-দের Headquarters এখানে অবস্থিত। এই City প্রমাণ করেছে যে একটা পুরো শহর কিভাবে Electric Transportation-এর দিকে ঝুঁকতে পারে। Shenzhen-কে একটা Smart City হিসেবে Develop করা হয়েছে, যেখানে Technology-কে ব্যবহার করে নাগরিকদের জীবনযাত্রাকে আরও সহজ এবং পরিবেশবান্ধব করা হয়েছে।
প্রায় ১০ বছর আগেও Shenzhen এ BYD-র তৈরি Electric Taxis প্রায়ই দেখা যেত। আর এখন, প্রায় 18 মিলিয়ন মানুষের এই City পুরোপুরি 100% Electric Taxis আর City Buses-এ রূপান্তরিত হয়েছে! এটা সত্যিই একটা অসাধারণ Achievement। Public Transportation System-কে Electrify করার পাশাপাশি Private Cars-এর ব্যবহার কমানোর জন্য উন্নত Public Transportation System তৈরি করা হয়েছে।
শুধু Shenzhen নয়, পুরো চীন জুড়েই EV-এর জয়জয়কার। এখন চীনে 47% Cars হলো Electric অথবা Plug-In Hybrid। আর এই সংখ্যাটা দিন দিন বাড়ছে। People এখন ধীরে ধীরে Fossil Fuel Cars থেকে Electric Cars-এর দিকে ঝুঁকছে।
চীন যেহেতু বিশ্বের সবচেয়ে বড় Car Market, তাই Batterie-এর চাহিদাও এখানে আকাশছোঁয়া। আর Batterie যেহেতু EV-এর সবচেয়ে দামি Component, তাই বলাই বাহুল্য যে চীনের Electric Car Market Battery Industry-কে একটা অন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে। Energy Storage-এর ব্যবসাও এখন খুব দ্রুত বাড়ছে। চীন ২০২৩ সালে Energy Storage-এর জন্য Battery Fleet চারগুণ করেছে। এছাড়া Wind আর Solar Plant-গুলোতে Storage স্থাপন করাও বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। China এখন Renewable Energy-র দিকে ঝুঁকছে এবং Energy Storage System-গুলো Renewable Energy Integration-এর জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
Battery Industry-তে China এখন একচ্ছত্র ক্ষমতার অধিকারী। বিশ্বের সবচেয়ে বড় ১০ Producers-এর মধ্যে ৬টি Company-ই চীনের। Catl আর BYD-এর মতো Industry-র Giants-রা Market Dominate করছে।
চীন এখন Battery তৈরির Raw Materials উত্তোলন থেকে শুরু করে Manufacturing, Distribution - সবকিছুতেই নিজেদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছে। তারা একটা Vertically Integrated System তৈরি করেছে, যেখানে পুরো Supply Chain তাদের নিয়ন্ত্রণে। Energy Storage Market-ও চীনা Firms-গুলোর দখলে। Low-Cost LFP Technologies-এর ওপর তাদের Focus এই Segment-এর জন্য একদম পারফেক্ট। Lithium Iron Phosphate (LFP) Batteries তুলনামূলকভাবে সস্তা এবং নিরাপদ।
শুধু তাই নয়, Ford, Tesla, Volkswagen আর BMW-এর মতো Western Brand গুলোও Batterie-এর জন্য চীনা Suppliers-দের ওপর নির্ভর করছে। অনেক Company চীনের সাথে Joint Venture করছে, Technology Share করছে। এমনকি Mazda-র মতো Company-ও নাকি চীনের তৈরি Cars-এর Branding পরিবর্তন করে নিজেদের নামে বিক্রি করছে! 🙊 এটা প্রমাণ করে যে চীনের Technology কতোটা Advanced এবং Competitive।
সব মিলিয়ে Industry-র বিশেষজ্ঞরা বলছেন, Batterie-এর বাজারে চীনের Dominance প্রায় প্রশ্নাতীত। আর বাকি বিশ্ব যেন ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে চীনের সাথে একটা Massive Alliance-এ জড়িয়ে পড়েছে। এখন দেখার বিষয়, Western Countries-গুলো কিভাবে এই পরিস্থিতি মোকাবেলা করে। তাদের সামনে অনেক Challenges রয়েছে।
চীনের এই সাফল্যের পেছনে একজন মানুষের Vision-ও অনেক বড় ভূমিকা রেখেছে। তার নাম Wangang। তিনি ২০০০ সালের দিকে চীনা Government-কে Electric Vehicles নিয়ে একটা Proposal দিয়েছিলেন। তার Vision-ই আজকে China-কে Electric Vehicle Superpower বানিয়েছে।
Wangang জার্মান University-তে পড়াশোনা করেছেন এবং Audi-র Research আর Development বিভাগে কাজ করেছেন। তিনি China-কে Clean New Energy গ্রহণে উৎসাহিত করেন, যা Automobile Industry-তে একটা বিপ্লব আনতে পারতো। তিনি China-র ভবিষ্যতের একটা নতুন ছবি এঁকেছিলেন।
Government তার Idea-কে গুরুত্বের সাথে নিয়েছিল। Wangang-কে China-তে ফিরিয়ে আনা হয় এবং Minister of Science and Technology-র দায়িত্ব দেওয়া হয়। তার Leadership-এ China Technology-তে অনেক উন্নতি করে।
আজ Wangang হয়তো আমাদের মাঝে নেই, কিন্তু তার Vision China-কে Electric Vehicle Industry-তে Lead করতে সাহায্য করছে।
টেকটিউজিটর-রা, আজকের আলোচনা এই পর্যন্তই। আশাকরি আজকের টিউনটি আপনাদের ভালো লেগেছে এবং China-র Electric Vehicle Revolution সম্পর্কে অনেক নতুন তথ্য জানতে পেরেছেন। টিউমেন্ট করে জানান আপনাদের মতামত এবং এই বিষয়ে আরও কিছু জানতে চান কিনা।
Connected থাকুন এবং Technology-র নতুন দিগন্তের খোঁজ পেতে টেকটিউনস এর সাথে থাকুন। ধন্যবাদ! 🙏
আমি রায়হান ফেরদৌস। বিশ্বের সর্ববৃহৎ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সৌশল নেটওয়ার্ক - টেকটিউনস এ আমি 11 বছর 8 মাস যাবৎ যুক্ত আছি। টেকটিউনস আমি এ পর্যন্ত 253 টি টিউন ও 131 টি টিউমেন্ট করেছি। টেকটিউনসে আমার 74 ফলোয়ার আছে এবং আমি টেকটিউনসে 1 টিউনারকে ফলো করি।